• আসুন ভাবি - পোস্ট শোকেস

    জ্ঞান বনাম ক্ষমতা : ফুকো-চমস্কি বিতর্ক

    ফুকো এখানে এসে ফের বাগাড়া দিচ্ছেন। তিনি দেখাচ্ছেন,—সত্যজ্ঞান ততক্ষণ সত্যজ্ঞান হয়ে থাকে, যতক্ষণ ক্ষমতা-কাঠামোয় উৎপাদিত প্রাতিষ্ঠানিকতার বাইরে সে সক্রিয় থাকছে। প্রাতিষ্ঠানিক বলয়ের ভিতরে গমনের আগে পর্যন্ত তাকে আমরা নিষ্কলুষ ও সত্যভাষীর ভূমিকায় মনোরম দেখতে পাই। কোনো একভাবে ওই কাঠামোয় যদি তার প্রবেশ ঘটে যায়,—একই সত্যজ্ঞান তাৎক্ষণিক দূষিত বর্জ্য হয়ে ওঠে।

  • আসুন ভাবি - পোস্ট শোকেস

    দগ্ধসমাজে বিয়ং-চুল হান-৪

    অন্ধ এই Growth Compulsion—এর উৎস কী? হান বলছেন,—প্রবৃদ্ধির এই অন্ধপ্রেরণা আসে গভীর Ontological ভয় থেকে। আর তা হলো মরণের ভয়। পুঁজিবাদে মানুষ ধ্বংস হতে চায় না। ক্ষয়প্রাপ্ত হতে চায় না। হারিয়ে যেতে চায় না। অস্তিত্বকে সে তাই সঞ্চয়, উন্নয়ন ও অর্জনের মতো ন্যারেটিভে অবিনাশী রাখতে মরিয়া হয়। Capital is accumulated as a defence against death, against absolute loss.—পুঁজির মধ্যে মানুষ নিরাপত্তা খোঁজে; সে খোঁজে অমরত্ব! এটি তাকে মৃত্যু থেকে রক্ষা করবে;—এই বিশ্বাসে অধীর দেখায় তাকে।

  • আসুন ভাবি - পোস্ট শোকেস

    প্রযুক্তিক স্বচ্ছতায় আমাদের ভবিতব্য

    হাক্সলি ও অরওয়েল যে-দুটি পথ তাঁদের আখ্যানে তুলে ধরেছেন, দুটিই কিন্তু মারাত্মক! সমাজকে চিন্তাশূন্য স্থবির শৃঙ্খলায় বেঁধে বিমানবিক করতে ভয়ানক কার্যকর। উভয় সমাজে মানব প্রজাতি প্রকৃতপক্ষে একসময় নিজের ওপর সেন্সর আরোপ করে বসে ও অবোধ অভ্যাসের দাসে পরিণত হয়।

  • এআই বলছি - পোস্ট শোকেস

    তুমি কতটা জানাতে পারো অপর্ণা?—একটি এআই কথন

    তাহলে কী করণীয়? আমাদের হয়তো দরকার ‘নির্বাচিত অস্বচ্ছতা’! একটি জায়গা, একটি সংস্কৃতি, যেখানে ভুল করা যায়, যেখানে অন্তরকে অন্তর থাকতে দেওয়া হয়, যেখানে প্রকাশ নয় বরং উপলব্ধি মুখ্য। মানুষ যেন আবার শিখতে পারে,—কীভাবে না-দেখানোর মধ্যে সৌন্দর্য সংগোপন থাকে; কীভাবে না-বলা কথারা গভীর হতে থাকে অবিরত! অপর্ণা তার ছোট বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখে আকাশে চাঁদ উঠেছে। প্রযুক্তিক স্বচ্ছতার মরুভূমিতে তার কাছে একফালি ছায়ায় দাঁড়ানো খুব জরুরি বোধ হচ্ছে এখন, কিন্তু এরকম ছায়া কি আছে এখনো তার মতো হাজারো অপর্ণার জন্য?

  • দেখা-শোনা-পাঠ - পোস্ট শোকেস

    কুইয়ারনামায় লিঙ্গ রাজনীতি

    LGBTQ-র ছাতার নিচে থাকা কুইয়ার হইতেছে এমন লোক যে কিনা নিজের যৌনঅস্তিত্বের ব্যাপারে ঘোরতর সন্দিহান। এখান থেকে একজন কুইয়ারের ঝামেলা শুরু হয়। উভকামী, নারী বা পুরুষ সমকামী অথবা হিজড়ার মতো দ্বৈত যৌনসত্তায় নিজের আত্মপরিচয় নিয়া সে পেরেশান হইতে থাকে। তার মনে তখন এমনসব ফ্যান্টাসি প্রকট হয়, বাস্তবতাকে ইগনোর যাইতে সেগুলাকে সে প্রয়োগ করে। সৌরভ রায় তাঁর রচনায় যেসব আর্টপিস সংযুক্ত করছেন, সেগুলোকে এখন যদি আমলে নেই তাহলে বিষয়টি আমরা ধরতে পারব। আমার ধারণা,- সামনে যে-যুগ আসতেছে সেখানে LGBTQ বইলা কোনো ছাতার অস্তিত্ব থাকবে না। পুরোটাকে কুইয়ার নামক ছাতার নিচে সমাজবিজ্ঞানীরা গোনায় ধরতে বাধ্য হবেন। উনাদের বর্গীকরণে অনেককিছু এখনো মিসিং।