• পোস্ট শোকেস - বিবিধ ও বিচিত্র

    বিসর্জনে প্রতিরোধ

    থিক কোয়াং ডুকের মতো মানুষ বাধ্য হয়েছিলেন রাষ্ট্রকে এই বার্তা দিতে,—নিখিল প্রকৃতিতে কেউ কারো দেহের মালিক নয়। না-কারো হক আছে এটি বলার,—এখন থেকে তার ইচ্ছা ও ফরমানে সব চলবে। এখানে এসে তিউনিসিয়ার ফলবিক্রেতা মোহাম্মেদ বুয়াজিজি কিংবা ভারতে দলিত সম্প্রদায়ের রোহিত ভেমুলারা অভিন্ন হতে থাকেন।

  • পোস্ট শোকেস - বিবিধ ও বিচিত্র

    কবি ও বিদূষক এরশাদ

    এরশাদকে নিয়ে প্রশ্নটি অগত্যা তোলাই যায়,—তিনি কি একালের অনেক শাসকের মতো কর্তৃত্ববাদী? কর্তৃত্ববাদের নতুন যে-স্বরূপ বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে আমরা কমবেশি ব্যাপক হতে দেখছি, এখন এর সঙ্গে তাঁর আমলে দেখা দেওয়া কর্তৃত্ববাদকে অভিন্ন ভাবা কি সম্ভব? ক্ষমতা ও রাজনৈতিক অস্তিত্বের প্রশ্নে বিরোধীকে দমনের অপকৌশল আর নিজের কর্তৃত্ব নিরঙ্কুশ করতে তাকে নিস্তেজ করে ফেলার মধ্যে ব্যবধান রয়েছে। এরশাদকে এদিক থেকে যে-পরিমাণ কৌতুককর দেখায়, সমপরিমাণ আগ্রাসী তিনি হতে পেরেছিলেন কি?

  • পোস্ট শোকেস - বিবিধ ও বিচিত্র

    আজব দেশের গজব অর্থনীতি

    মানুষের কাছে দুর্নীতি ফ্যাক্টর হলেও পুঁজিবাদী সমাজবিকাশের প্রাথমিক ধাপে পা রাখার দিনে এসব রোধ করা সত্যি কঠিন। চার্লস ডিকেন্সের উপন্যাস যদি হাতে নেই তাহলে দেখব,- উপনিবেশ বিস্তারের সুবাদে ইংল্যান্ডে শিল্পায়ন ও উন্নয়ন শুরু হলেও রাষ্ট্রের খোলনলচে তখনো সংহত রূপ পায়নি। অ্যানার্কি ব্যাপক ছিল। দারিদ্র্য ও বৈষম্যের বিপরীতে অর্থনীতির পুরোটাই সমাজের একটি স্তরে পুঞ্জীভূত ছিল। ডিকেন্স তার ছবি আঁকছিলেন কেবল। ইংল্যান্ডের সঙ্গে তুলনা অবান্তর, তবে একুশ শতকে আমরা সামান্য মাত্রায় হলেও এরকম ট্রানজিশনের ভিতর দিয়ে যেতে আরম্ভ করেছিলাম। একে এখন ধরে রাখতে পারলে ভালোমন্দ মিলিয়ে একটা ফলাফল অবশ্যই আসত। এখন কী আসছে বা আসতে চলেছে তার বিষয়ে মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন!

  • পোস্ট শোকেস - বিবিধ ও বিচিত্র

    জাতীয় নৃত্য ও কল্পনা

    জাতীয় নৃত্যের কথা মনে এলো মধ্য এশিয়ার দেশ জর্জিয়ার সুবাদে। জর্জিয়ানরা নাচের এমন সব ফর্মকে একত্রে জুড়েছেন, যার মধ্য দিয়ে তাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, বীরত্বসহ একটি জনপদের সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতাকে তারা তুলে ধরেন। ব্যালে ও লোকনৃত্যের সংমিশ্রণে সৃষ্ট এসব নৃত্যআঙ্গিক ইন্টারনেটের বদৌলতে আমাদের সামনে অবারিত। ... জর্জিয়ান ন্যাশনাল ডান্স অবিশ্বাস্য স্কিলের পরাকাষ্ঠা, যার জন্য একজন শিল্পীকে বছরের পর বছর কঠিন পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে নিজেকে তৈরি করতে হয়। চোখে না দেখলে বিশ্বাস হতো না মানুষের পক্ষে এই লেভেলের অ্যাথেলেটিক স্কিল সম্ভব।

  • পোস্ট শোকেস - বিবিধ ও বিচিত্র

    সুখ তুমি কী…!

    জাতীয় সুখের পরিমাপ পাইতে জিগমে সিংগে ওয়াংচুক কী কারণে জিএনএইচ নিয়া আসেন তার কারণ বুঝতে দর্জির ছবিখানা বেশ উপাদেয়। জিএনএইচ হয়তো জিডিপি/ জিএনপির বিকল্প হইতে পারবে না কখনো। অর্থনৈতিক সক্ষমতা পরিমাপে প্রসঙ্গিক অনেককিছু তাকে কার্যকর ভাবার অন্তরায় সেখানে। জিএনএইচ কার্যকর হলে একটি দেশে সুখ উপচে পড়বে, ঘটনা এমনও নয়। এর ভিত্রে নিহিত ভাবনাখান হইতেছে দামি। অসম বণ্টন, নারকীয় বৈষম্য আর হাজারো মানসিক চাপে বিধ্বস্ত পৃথিবীর মানুষকে জাতীয় সুখ মাপার তরিকাটি সাদাসিধে জীবনের দিকে ফেরত যাওয়ার প্রয়োজন নিয়া ভাবতে শিখায়। ভুটান দেশের হাওয়া এই ভাবনায় গমনের কারণে এখনো নির্মল। আকাশ স্বচ্ছতোয়া নীল। কার না যাইতে মন চাইবে সেখানে!